প্রাণীদের এই কষ্টের কথা শুনলে আপনিও কেঁদে ফেলবেন

0
98

এই পৃথিবী আমাদের একার নয়, এই পৃথিবীতে আমাদের যতটা অধিকার রয়েছে ঠিক ততটাই অধিকার রয়েছে একটি অবলা প্রাণীরও। কিন্তু আমরা অনেকেই বুঝে বা না বুঝে, এই সমস্ত প্রাণীদের বিভিন্ন সময় কষ্ট দিয়ে থাকে। আবার অবলা প্রাণীরাও একটু ভুলের কারণে প্রকৃতির কাছে হেরে গিয়ে সারাটা জীবন কষ্ট পায়। আজকের এই ভিডিওতে তেমনি কিছু দৃশ্য আপনারা দেখতে চলেছেন, প্রাণীদের এই কষ্টের কথা শুনলে আপনিও কেঁদে ফেলবেন। তো কালপুরুষের আরও একটি নতুন এপিসোডে আপনাকে স্বাগতম।

কচ্ছপ
rohoshyosondhane

এই কচ্ছপটিকে দেখুন, কচ্ছপটির আকার খুবই অস্বাভাবিক। এর আসল কারণ জানলে হয়তো আপনি একটু কষ্টই পাবেন। আসলে এই কচ্ছপটি যখন ছোট ছিল তখন কচ্ছপটি একটি প্লাস্টিকের রিং এর মধ্যে আটকা পড়ে আর দুর্ভাগ্যক্রমে সেই রিংটি কচ্ছপটির পেটের সাথে আটকে যায়। এরপর কচ্ছপটি আর কোনো রকমেই সেই রিং থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। এই ভাবেই সে ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। কচ্ছপটির শরীরে দুটি ভাগ, স্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেলেও তার শরীরের মধ্যভাগটি প্লাস্টিকের রিং জন্য বৃদ্ধি পেতে পারিনি। অবলা এই প্রাণীটি কাউকেই বোঝাতে পারছিল না তার এই নিদারুণ কষ্টের কথা। আর এভাবেই কেটে যায় দীর্ঘ ১৯ বছর। অবশেষে ১৯ বছর পর কচ্ছপটি ধরা পড়ে মানুষের জালে তারপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় একজন প্রাণী বিশেষজ্ঞের কাছে। দীর্ঘ ১৯ বছর পর অপেক্ষার পর সেই প্লাস্টিকের রিং থেকে মুক্তি পায় কচ্ছপটি, কিন্তু পরবর্তিতে সে আর কোনভাবেই তার স্বাভাবিক আকার ফিরে পায়নি।

আরও পড়তে ক্লিক করুন ঃ- জানুন বিশ্বকাপে ক্রিকেট অধিনায়কদের বেতন কত

Sea Lion
rohoshyosondhane

এই প্রাণীটি হল একটি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী। প্রাণীটির নাম হল সি লায়ন অর্থাৎ সমুদ্রের সিংহ। এই প্রাণটি যখন ছোট ছিল তখন সে না বুঝেই গোলাকার একটি দড়ির মধ্যে আটকে পড়ে, তারপর সে শত চেষ্টার করেও গলা থেকে আর দড়িটি বার করতে পারিনি। এরপর শুরু হয় তার কষ্টের জীবন আর মাঝে মাঝে এই কষ্ট সহ্য না করতে পেরে প্রাণীটি অসহায়ের মত চিৎকার করত। এই ভাবেই কেটে যায় দীর্ঘ দিন, অবশেষে এক শিকারী নজরে আসে এই ব্যাপারটি। তারপর সে এই প্রানিটিকে বাঁচানোর উদ্যোগ নেয়। কিন্তু সে কিছুতেই এই প্রাণীটির কাছে যেতে পারছিল না, প্রাণীটিকে ধরার জন্য সে এক বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে। সে অজ্ঞান করা ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রাণীটিকে দূর থেকে অজ্ঞান করে দেয় আর প্রাণীটি কিছুক্ষণের জন্য জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এই সুযোগে তিনি প্রাণীটির গলা থেকে সুতোটি কেটে প্রাণীটিকে মুক্ত করা দেন। দীর্ঘদিন গলায় দড়িটি আটকে থাকার কারণে প্রাণীটির গলায় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছিল, যাই হোক অবশেষে প্রাণীটি কষ্টের অবসান হয় এবং সে পুনরায় ফিরে যায় গভির সমুদ্রে।

leopard
rohoshyosondhane

চিতাবাঘকে তো আমরা সবাই চিনি আর চিতা বাঘ যেমন হিংস্র তেমনি ভয়ঙ্কর। কিন্তু এত ভয়ঙ্কর প্রাণী হওয়া সত্ত্বেও একবার কঠিন বিপদের সম্মুখীন হতে হয়েছিল এক চিতাবাঘকে। এই ঘটনাটি ঘটে ভারতে। একবার খুব তৃষ্ণা’র কারণে এক চিতাবাঘ একটি সিলিভারের হাড়ির মধ্যে তার মাথাটা ঢুকিয়ে দেয় আর তখনই পড়ে যায় মহা বিপদে। হাড়িতে মুখ ঢোকানোর পরে হড়িটি তার মাথার সাথে আটকে যায়, যার কারনে সে কিছুই দেখতে পায় না আর এমন বিপদে পরে বাঘটি দিশাহারা হয়ে যায় এবং এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করতে আরম্ভ করে দেয়। অবশেষে বাঘের এই করুণ পরিস্থিতি মানুষের নজরে আসে। এরপর বনদপ্তরকে খবর দেয়া হয়। বনদপ্তরের কর্মীরা এসে বাঘটিকে ঘুম পাড়ানির ওষুধ দিয়ে অজ্ঞান করে দেয়, তারপর হাড়িটি কেটে বাঘটিকে মুক্ত করে।

তো বন্ধুরা অবশেষে শুধু একটা কথাই বলতে চাই, আসুন আমরা সকলে যে যার নিজের জায়গা থেকে পরিবেশের এই অসহায় প্রাণীদের প্রতি আমাদের ভালোবাসা বিলিয়ে দিই। আমাদের একটু ভালোবাসা ও সচেতনতা বাঁচাতে পারবে এই প্রাণী গুলির মূল্যবান প্রাণ।

ধন্যবাদ ………।।

সুমন্ত …………।।

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane
হাই।। বন্ধুরা... আমি সুমন্ত, পৃথিবী কাঁপানো অসংখ্য রহস্যের উদঘাটন হয়নি আজও। তবে এগুলো নিয়ে আলোচনা-গবেষণা চলছে এখনো। রহস্যময় পৃথিবীতে প্রাকৃতিক বা অ-প্রাকৃতিক রহস্যের সীমা নেই। এরমধ্যে আবার কিছু স্থান বা বিষয় রয়েছে যা অতি-প্রাকৃতিক। এ কারণে এগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষের কাছে হাজারো রহস্যে ঘেরা। আধুনিক বিজ্ঞানের উৎকর্ষতাও এ রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। এমনই হাজারো রহস্যের সন্ধান দিতে আমারদের এই ওয়েবসাইটি করা। আশা করি আপনারা সাথেই থাকবেন এবং উৎসাহ দিবেন। Subscribe করে আমাদের সাথে থাকতে ভুলবেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here