ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী ১০টি যুদ্ধ বিমান

0
150

কোন দেশের শক্তিশালী সেনাবাহিনীর জন্য যুদ্ধ বিমান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর কেন যুদ্ধে বিমান কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা হয়ত সম্প্রতি ঘটা ভারত পাকিস্তানের সম্মুখ সমরে আপনি নিশ্চয়ই দেখেছেন। ভারতীয় বায়ুসেনাতে অনেক ধরনের বিমান রয়েছে, আর আজ আমি তাদের মধ্যেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিমানের কথা বলতে চলেছি আপনাদের। তো চলুন সময় নষ্ট না করে শুরু করা যাক।

সুখোই থার্টি এম কে আই ঃ- Sukhoi-30MKI

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

এটি ভারতীয় বায়ুসেনার সবচেয়ে শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ বিমান। এই বিমানটি রাশিয়ার যুদ্ধ বিমান নির্মাতা সুখোই এবং ভারতের হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড যৌথ ভাবে নির্মাণ করেছে। সুখোই একবার ফুয়েল ভরে তিন হাজার কিলোমিটার দূর পর্যন্ত যাত্রা করতে সক্ষম। এই ফাইটার জেটে আকাশেই উড়ন্ত অবস্থাতেই জ্বালানি ভরা যায়। সুখোই সরাসরি শত্রুদের উপর আক্রমণ করতে সক্ষম, ভারতীয় বায়ুসেনাতে এই মুহূর্তে ১৪৬ টি সুখোই বিমান রয়েছে এবং আরো ১২৮ টি সুখোই বিমান খুব শীঘ্রই ভারতীয় বায়ুসেনার সাথে যুক্ত হতে চলেছে। এই বিমানটি পুরপুরি টাইটেনিয়াম ধাতু দ্বারা নির্মিত, এবং এতে পাইলট রাডারের মাধ্যমে তার টার্গেট সেট করতে পারে।

তেজাস ঃ- Tejas

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

তেজাস ভারতীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত, ভারতের প্রথম যুদ্ধবিমান। এটিকে হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড অর্থাৎ এইচ এ এল নির্মাণ করেছে। তেজাস ফোর্থ-জেনারেশন লাইট কম্বাট যুদ্ধবিমান, যা খুবই হালকা হওয়ার সাথে সাথে নিজের গতির দ্বারা শত্রুকে বোকা বানাতে খুবই দক্ষ। এটি ৫০ হাজার ফিট উঁচু থেকে তার শত্রুদের উপর আক্রমণ করতে পুরোপুরি সক্ষম। এই যুদ্ধবিমান ২২০৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা গতিতে আকাশে উড়তে পারে এবং এর রেঞ্জ তিন হাজার কিলোমিটার।

মিগ 29 ঃ- MIG-29

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

মিগ 29, সুখোই-এর পর ভারতীয় বিমান বাহিনীতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিমান। ভারতীয় বায়ুসেনাতে এটি বাজ নামে পরিচিত। ভারতীয় বায়ুসেনা অনেক মিগ 29 যুদ্ধবিমানকে আপগ্রেড করেছে, যার ফলে এর রেঞ্জ ১৫০০ কিলোমিটার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৪২৫ কিলোমিটার হয়ে গিয়েছে।

মিরাজ 2000 ঃ- Mirage 2000

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

এই বিমানের ক্ষমতা আপনি বর্তমানে পাকিস্তানে হওয়া এয়ারস্ট্রিকে নিশ্চই দেখেছেন। ভারতীয় বিমান বাহিনীতে এটি বজ্র নামে পরিচিত। এটি ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাথমিক ফাইটার প্লেন,  মিরাজ 2000 নিঃশব্দে শত্রুদের এলাকায় ঢুকে লেজার গাইডেড মিসাইল আক্রমণ চালাতে সক্ষম। এই মুহূর্তে ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে ৫১ টি মিরাজ 2000 যুদ্ধ বিমান রয়েছে।

আরও পড়তে ক্লিক করুন ঃ- ভারতের ৫টি শক্তিশালী স্পেশাল ফোর্স যাদের নামে শত্রুরা কেঁপে ওঠে

জাগুয়ার ঃ- Jaguar

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

ভারতীয় বায়ুসেনাতে এই জাগুয়ার বিমানটি সামসের নামে পরিচিত। এটিও শত্রুদের এলাকায় নিঃশব্দে প্রবেশ করে হামলা চালাতে সক্ষম। ভারতের কাছে এই মুহূর্তে ১৩৯ টি জাগুয়ার যুদ্ধবিমান রয়েছে। এর গতিবেগ ১৬৯৯ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা এবং রেঞ্জ ৩৫২৪ কিলোমিটার।

সি সেভেন্টি গ্লোব মাস্টার ঃ- C-17 Globemaster

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

সি সেভেন্টি, ভারতীয় বায়ুসেনার এমন একটি বিমান, যা যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতীয় স্থল সেনাকে প্রয়োজনীয় রসদ সাপ্লাই করে। এই বিমান গোলাবারুদের সাথে যুদ্ধ ট্যাংক নিয়েও উড়তে সক্ষম। এটি ভারতীয় বায়ুসেনার সবচেয়ে বড় ট্রানস্পর্ট এয়ারক্রাফট। আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই বিমানের সাহায্যেই উত্তরাখণ্ডে আটকে পড়া ভারতীয়দের সুরক্ষিত ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। এই বিমানের গতিবেগ ৮২৯ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা এবং রেঞ্জ ১০,৩৯০ কিলোমিটার।

মিগ-২৭ ঃ- MIG-27

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

মিগ-২৭ একটি গ্রউন্ড অ্যাটাক এয়ারক্রাফট, যা রাশিয়া দ্বারা নির্মিত। এই বিমানের গতিবেগ ১৮৮৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা আর এর রেঞ্জ ২৫০০ কিলোমিটার।

মিগ-২১ ঃ- MIG-21

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

এটি মিগওয়েন কোম্পানির দ্বারা নির্মিত একটি সুপারসনিক ইন্টারসেপ্টর ফাইটার এয়ারক্রাফট। বর্তমান সময়ে ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে ১৫২ টি মিগ ২১ বিমান আছে। এই বিমানের গতিবেগ ১৯১২ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা এবং এর রেঞ্জ ১৪৭০ কিলোমিটার।

সি ওয়ান থার্টি যে সুপার হারকিউলিস ঃ- C-130J Super Hercules

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

এই এয়ারক্রাফটের সাহায্যে ভারতীয় জল, স্থল এবং বায়ু সেনাকে অস্ত্রশস্ত্র সমেত যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছে দেয়া হয়। এটি আকারে খুবই বড় এবং এতে পুরো একটি ব্যাটেলিয়ন ধরে যায়, আর এই জন্যই এর নাম রাখা হয়েছে গজরাজ। এটি একটি চার ইঞ্জিন বিশিষ্ট ট্রানস্পর্ট এয়ারক্রাফট। এর গতিবেগ ৬৭১ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা এবং রেঞ্জ ৩৩৩৪ কিলোমিটার।

ইলিউশন ইল সেভেন্টি এইট ঃ- Ilyushin IL.78

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

এটি রাশিয়া দ্বারা নির্মিত চার ইঞ্জিন বিশিষ্ট এরিয়ান রিফুয়েলিং ট্যাংকার এয়ারক্রাফট। বিমানটি ব্যবহার করা হয় অন্য বিমানে ফুয়েল ভড়ার জন্য। এর সাহায্যে আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় যে কোন বিমানে ফুয়েল ভরা যায়। আর এই কারনে কোন যুদ্ধবিমানকে যুদ্ধক্ষেত্রে ফুয়েল ভরার জন্য দ্বিতীয়বার মাটিতে নামতে হয় না। এই বিমানের গতিবেগ ৮৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা এবং এর রেঞ্জ ৭৩০০ কিলোমিটার।

এছাড়া বর্তমানে ভারত সরকার ৩৬ টি রাফায়েল যুদ্ধ বিমান অর্ডার দিয়েছে যা খুব শীঘ্রই ভারতীয় বায়ুসেনাতে যুক্ত হতে চলেছে।

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

তো আজকের ভিডিওটি এই পর্যন্ত, আপনার ভিডিওটি কেমন লাগলো আমাকে কমেন্টে অবশ্যই লিখে জানান।

rohoshyosondhane
rohoshyosondhane

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here